নজরমিনারের মোড়ক উন্মোচন

১৯

রোহণ কুদ্দুস | বইপত্র

২৩/০১/২০১২

যারা আসতে পারলেন না তাঁদের জন্যে ঘোলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।









লোটাকম্বলের সবার আমন্ত্রণ।

রোহণ কুদ্দুস

লেখক

খাই, দাই, ঘুমোই, গপ্পো করি আর লিখি। ও হ্যাঁ, পড়িও বটে।

[প্রোফাইলের ছবিটা বিল ওয়াটারসনের থেকে ধার নেওয়া।]

[প্রোফাইলের ছবিটা বিল ওয়াটারসনের থেকে ধার নেওয়া হয়নি।]

জনগণ যা বলেন

আপনি যা বলেন

দেখে আনন্দ পেলাম

আনন্দ পেয়েছেন জেনে আনন্দ পেলাম।

ইচ্ছে রইল, হাজিরা দেবার। দেখা যাক হয়ে ওঠে কিনা।

আনন্দের খবর! থাকবো

জীবনানন্দ সভাঘর - এক্স্যাক্ট লোকেশনটা কোথায়, জানাবে রোহণ বা জানাবেন ঘনাদা? বহুদিন বাইরে বাইরে থেকে গাঁইয়া ভূত বনে গেছি এক্কেরে ..।

২১/১২ -র টপিকও যখন প্রথম পাতায় এখনও রয়েছে, তাহলে প্রথম পাতায় থাকার লিমিট (টাইম) কিছু নেই ধরে নিতে হয়।

আর যদি এটা লেখার উপস্থিতি কমে যাবার একটা সূচক হয়, তাহলে দায়ী করতে হয় মিনিমাম কমেন্টস সংখ্যা পার করার অধিনিয়মকে।

কিন্তু যদি লেখাই না আসয়া, তবে কমেন্টস কি করে দেওয়া যাবে ?

সেক্ষেত্রে একই লেখার বারবার কমেন্টস দেওয়া ছাড়া উপায় কি ???

আজকাল কেউই বিশেষ লেখা পড়ছেন না, বা পড়লেও মন্তব্য করতে পারছেন না, কেননা তার নিজের একাউন্টে অত লেখা পোস্টানো নেই।

লিখতে তো সময়, পরিশ্রম, কিছুটা হলেও মানসিক চিন্তা ভাবনা লাগে, কিন্তু কোন লেখার কমেন্টস দিতে তাৎক্ষণিক বিচার বা ভাবনাই যথে্ষ্ঠ।

রোহণ কে একবার ভেবে দেখতে বলি।

আমার আগের মন্তব্যে কিছু ভুল বলা হয়েছে। সাত এবং আট নম্বর লাইন দুটি যা বলতে চেয়েছিলাম তার উলটো মানে বলছে।

আসলে আমি বলতে চাইছি, লেখা দেবার জন্যে যে কমেন্টসের বাধ্য বাধকতাটা আছে (কিছু একটা রেশিও), যেটা ভাবা হয়ে ছিলো শুধু প্রথমবারের জন্যে, আসলে তা নয়। লেখাও খূব কম আসছে। ফলে বেশি মন্তব্য করা যাচ্ছে না আর তার ফলে নতুন লেখাও দেওয়া যাচ্ছে না।

লাগাতার কমেন্টস করার পরেও মনে হচ্ছে কাউন্ট হচ্ছে না। আর তার ফলে নতুন লেখাও দিতে পারছি না। প্রথম পাতাও পরিবর্তন হচ্ছে না। সাইট-টা চালু আছে কি ?

ইন্দ্রনীলদা এসেছিলেন , অনেকেই আসেনি আসলে ভালো লাগতো । কোই বাত নেহি বইটি সংগ্রহ করে পড়ে মতামত দিলে ভীষন ভালো লাগবে ।

অনেকেই আসেন নি, অনেকেই আসতে চান নি -- এতা বাদ পড়ে গেল। :)

মন্তব্য যথেষ্ট নেই। তাই পুরানো পোস্টই এডিট করলাম।

যাবো ভেবেও যেতে পারলাম না । অজুহাত হয়তো বেশ কয়েক হাত বলে ফেলা যায় - কিন্তু আসল ব্যাপারটা হয়ে উঠল না - সরি হবারও কোন রাস্তা রাখিনি।

কিশোরদা, কোই বাত নেহী। আসছে বছর আবার হবে। :)

তোমার প্রথম পাঠানো ঘোল পান করে মনে হল -

'শিং ভেঙে বাছুরের দলে' না গিয়ে বোধহয় খুব খারাপ করিনি।

আরো মনে হল - 'অনেক হল দেরী'।

শুরু করতে কখনও দেরি হয় না কিশোরদা। শেষ করার সংকল্পের থেকে অনেক জরুরি শুরু করার সাহস।

কথাটা কদিন আগে ইংরাজিতে কোথায় পড়েছিলাম। এখানে ঝেড়ে দিলাম। :D

হুমমম, তোমার কথায় অনেকটা সাহস বেড়ে গেল - তাহলে শিং দুটো ভেঙেই ফেলি..।

চিচিং ফাঁক