কুরুক্ষেত্রের মত শিরোনাম

অত্রি | কবিতা

3.5/5 (2 জন)

জেব্রা-কাটা রাস্তার ঘাড়ে ধরে ছ্যাঁদা করুক
হাতুড়ি পেটাক হারা-অঘ্রানের সর্বস্ব দিয়ে-
এই ইঞ্চিটাক ছাই নিয়ে মাঝরাতে কবিতা জন্মালে
নুন দিয়ে মারতাম,
কাঁটা দিয়ে রুখতাম কাঁটার মুকুট পরা পুনর্জন্ম

কোকিল ভয়ে ক্যালেন্ডারের দশ হাতের মধ্যে আসে না
ভয় পায়, অথবা সুসময় ও সংস্কারের লোভ
এখন শ্মশানে তার মাধ্যমিকের বইখাতা, গোরস্থানে
বাসা নিচ্ছে দু’সিকের লাটিম
মাথার উপর আমাদের ঝড়ে ঝরে যাচ্ছে ঘাম, ছিঁড়ে যাছে মখমল
দিনে দু’বার ট্রান্সফর্মার বদলাচ্ছি হাড়খাঁচা দিয়ে



......আর তার বন্য ভঙ্গী ড্রয়িংরুম সাভানা করে দেয়।

অত্রি

লেখক

আজকে দাদা যাবার আগে, বলবো যা মোর চিত্তে লাগে

জনগণ যা বলেন

আপনি যা বলেন

শিরোনামটা আর একটু ভাবনা চিন্তা দাবী করে বলে মনে হয়। শেষের দিকে কবিতাটা সুন্দর লেগেছে।

শুভেচ্ছা জেনো।

ঠিক ঠাক বুঝলাম কিনা বুঝছি না। তবে শেষ লাইনটা বেশ ভালো লাগল বা বলা ভাল নাড়া দিয়ে দিল । যাই হোক চেষ্টা চালিয়েই যাবো পুরোটা বোঝার।
আরো লিখুন, ভাই অত্রি।

কেবল মাত্র শেষ লাইন টি ক্লীয়ার কাট বুঝলাম। বাকিরা সব ধরতে ধরতে পিছলে যাচ্ছে।

"এই ইঞ্চিটাক ছাই নিয়ে মাঝরাতে কবিতা জন্মালে
নুন দিয়ে মারতাম,"
এটাও বোধহয় বুঝেছি। কিন্তু সব মিলিয়ে আরিব্বাস !!

Bimbisar মন্তব্য3 মাস আগে

ভাল

এক কথায় অসাধারণ...

জন সাধারণ এতো কথা ফিরিয়ে দিলো, অথচ কবির কোন রি একশান নাই কেন। শুধু লিখে খালাস হলে হবে না কবি, সমঝদারদের একটু তো খেয়াল রাখতেই হবে ভাই।

হ্যাঁ দাদা, আসব বৈকি। এতদিন আটকে ছিলাম কারিগরী গেরোয়, আর সমস্যা নেই। যা হোক, আমি কবিতাটিতে ধরতে চাইছিলাম এখনকার কৃষকদের। বহুদিন বাঙলায় দলে দলে এইরকম কৃষক আত্মহত্যার খবর প্রকাশ্যে আসে নি। তাই এই খবর শুনে কিছু লিখবার তাগিদ অনুভব করলাম। ওই ছেলেমেয়েগুলির শুকনো মুখ, কাল মাধ্যমিক দেবে আর আজ বাবার লাশ ঝুলছে বাড়ির ছাত থেকে। এসব কথা খুব স্পষ্ট করে লিখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কবিতার ঘেরাটোপে। জানি না কতটুকু সফল হয়েছি। আর আমরা, যাদের মুখের অন্ন ওরা তুলে দিচ্ছে, তাদের কথা আমাদের ভাববার সময় হয় শুধু রাতে ড্রইংরুমে এসে। সারাদিন আমাদের আবেগের সমস্ত মখমল ছিঁড়েখুঁড়ে যায়, তাই আমরা এসব খেয়াল-ও রাখি না। রাতের ড্রইংরুম, সেখানে দেওয়ালে আলতামিরার আদিম বাইসনের ছবি আমাদের এসব কথা স্মরন করিয়ে দেয়। আমাদের চিরহরিৎ (?) জীবন-ও মাঝে মাঝে সাভানার মত সবুজহীন হয়ে পড়ে। এই এর মর্মার্থ।