প্রথম ছবিটি ১৯৪৪ সালে
বুদাপেস্টে তোলা।
নাৎসী সৈন্যরা কিছু
ইহুদীকে হত্যার আগে
উলঙ্গ করে ছবিটি তোলে।
দ্বিতীয় ছবিটি ২০১১
সালের ০৯ ডিসেম্বর
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের
মুর্শিদাবাদ জেলার
সীমান্তবর্তী এলাকায়
ভারতের সীমান্তরক্ষী
বিএসএফ এক বাংলাদেশীকে
উলঙ্গ করে নির্যাতন
করার সময় তোলা হয়।
দুটো ছবিরই প্রসঙ্গ ও
মানুষরা ভিন্ন কিন্তু
ছবি দুটোর মাঝে একটি
অন্তমিল আছে আর তা হলো
এক জাতির প্রতি আরেক
জাতির ঘৃণা এবং তা হতে
উদ্ভূত পাশবিকতা।
বিএসএফ সীমান্তে একের
পর এক খুন-নির্যাতন
করছে; ভারত সরকার
আশ্বাস দেয় এসব
অন্যায়
হত্যাকান্ড-নির্যাতন
বন্ধ হবে-বিচার হবে
কিন্তু বিচার কোনটাই
হয় না, সীমান্তে
হত্যাকান্ড-নির্যাতন
বন্ধ হয় না।
ভারত সরকারের সম্মতি না
থাকলে কিভাবে বিএসএফ
এইসব
হত্যাকান্ড-নির্যাতন
করে?

ভিডিও:
http://www.youtube.com/watch?v=CPDXmhZHP_8&feature=playe
r_embedded
দুটো ছবি
১৬1/5 (1 জন)
এই লোটাকম্বলধারী এখনও নিজের সম্পর্কে কিছু জানাতে নারাজ।





জনগণ যা বলেন
আপনি যা বলেন
সীমান্তে এই ঘটনা নিন্দনীয়। ভারত সরকারের মত কী তা জানি না। কিন্তু ভারত কেন, সারা পৃথিবীর যে কোনও সুস্থ মানুষই বিষয়টা মেনে নেবেন না।
কিন্তু ভাই, একই কাসুন্দি বারবার ঘেঁটে লাভ আছে কি? সীমান্তের এই বিতর্ক টেনে এনে এর আগেও এখানে ঝগড়াঝাটি ইত্যাদি হয়েছে। সেটা পুনরায় শুরু হোক আমরা কেউ চাই না। অতএব এধরনের পোস্ট করা থেকে দয়া করে বিরত থাকুন।
কোন দুটি ছবি জানি না।
তবে ছবি দুটি পোস্ট না করার জন্য ধন্যবাদ।
এই বিশ্বের আম জনগণের অধিকাংশই মানুষ - তার প্রেক্ষীতে কতিপয় বিকৃত মানুষকে বারংবার স্মরণে আনার কোন মানে হয় না।
আশে পাশের সকলের বিশ্বাস আর ভালোবাসা ছাড়া এতগুলো বছর বেঁচে বর্তে রয়েছি কি করে?
সবাইকে এর বিরুদ্ধে শোচ্চার হতে হবে নইলে সবলরা দুর্ব্লদের মারতেই থাকবে ।
আবার সেই একই জিনিসের পুণরাবৃত্তি হতে চলেছে। এ সব এখানে না লিখে সরকারের খাতার পাতায় লিখুন। এটা শুধু সাহিত্যের জায়গা।
দাদা লোটাতে সচেতন হতে গিয়ে খালি মারামারি ই হয়েছে... তাই আবার না করলেই কি নয়?
আমি তো তাই লিখেছিলাম। এই সব বিতর্কিত বিষয় সাহিত্যের আঙিনায় আনার কোন যুক্তি নেই। দুটি দেশের রাজনেতারা, ব্যুরোক্রেটরা এই সব নিয়ে ভাববেন।
অবশ্যই নক্কারজনক ঘটনা ।
অবশ্যই এর প্রতিবাদ করতে হবে।