
আমরা যৌথ জন্মান্ধের এক পতিত বারান্দায় মনগুরুত্বের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হয়েছিলাম
আমরা মিলিত হয়েছিলাম স্বপ্নের দাহকালে, ঠোঁটের দুর্দিনে; তবে কোন শান্তির প্রতিষ্ঠায় নয়
নদী আহত, পাখিরা মরছে, সাগর ফুসছে, মানুষ ভাসছে- তার কিছুই ছিল না এ বৈঠকিদিনে
যুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়াতে, বিপন্ন সবুজ বাঁচাতে কিংবা পাখির খাঁচা ভাঙতে আমরা বৈঠকে বসিনি।
মৌলবাদী ধান্দাবাজ দেশদ্রোহী কেন বোমারু হয়েছে তাতে খুব বেশি আগ্রহ ছিল না আমাদের
আমাদের অনুশোচনা ছিল না কোন যুদ্ধশিশুর উড়েযাওয়া পায়ের গোড়ালি আর আহত আঙুলে
আমরা মিলিত হয়েছিলাম বিপন্ন এক বিধবার বাড়িতে; অথচ তারও কোন সুসংবাদ নিয়ে নয়!
কোথায় অন্ধ জাতিস্বর স্বপ্ন চাপকাতে দোররা হাতে নিন্মাঙ্গে দাঁড়ায় কিংবা হিল্লাবিয়ের আনন্দে-
ভাঙে যৌথ ভালোবাসা- এসব কিছুই উত্থাপিত হয়নি আমাদের এই পূর্বনির্ধারিত আলোচনায়
তবে আমরা ছিলাম ঘনঘোর আনন্দে- নিবীড় ও নিরাপদ- চা ও কফিতে, চুমু ও চামিলিতে
আমাদের চার ঠোঁটের মাঝখানে ছিল একগোছা রজনীগন্ধা, তরতাজা গোলাপের টিনএজ স্বাদ
আমাদের বৈঠকজুড়ে ছিল- তার উষ্ণতা আমার মুঠিতে আর আমার আঙুল তার নাভিমুলে;
অথচ বিদেহী একটি প্রেমের গল্প সাজাতেই আমরা এ মহান বৈঠকে মুখোমুখি বসেছিলাম।
শেয়ার করুন
ফেসবুকে
গুগল বাজ়ে
ট্যুইটারে
বেশ লেখা।
Thanks
রোম্যান্টিক ভাবনার কাব্যিক উপস্থাপনা। কবিতাটি ভালো লেগেছে -- খুবই ভালো লেগেছে।
Many a thanks
প্রেম উপচানো লেখা। ভালো লেগেছে।
Alas! love
শেখ নজরুল
আগে ভাবতাম অনেক কিছু বলার আছে নিজকে নিয়ে;
এখন বুঝি হদ্দ বোকা আমি!
এই ব্লগারের সাম্প্রতিক ১০